আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইয়েলো লাইন অতিক্রমের অভিযোগে আরও দুই ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) স্থানীয় সময় দখলদার বাহিনীর এ হামলা war–pause থাকা সত্ত্বেও ঘটল বলে অভিযোগ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর। তাদের দাবি ফিলিস্তিনিরা লাইন স্পর্শ না করলেও ইসরাইলি সেনারা নিয়মিত গুলি চালাচ্ছে।

অন্যদিকে পশ্চিম তীরের তুলকারেমে বিক্ষোভ কাভার করার সময় আল জাজিরার চিত্র সাংবাদিক ফাদি ইয়াসমিনকে দু’পায়ে গুলি করে ইসরাইলি বাহিনী। স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম তীরে নিয়মিত অভিযানের নামে বাড়িঘর ভাঙচুর ও অবরোধের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিরা বিক্ষোভ করছিলেন। সেই বিক্ষোভের ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিক ইয়াসমিন লক্ষ্যবস্তু হন।

একইদিন পশ্চিম তীরে ছুরিকাঘাতে এক ইসরাইলি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, “যেকোনো মূল্যে হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে। উপত্যকায় যেন আর কোনো বড় হুমকি সৃষ্টি হতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

এদিকে গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ১৩–০ ভোটে পাস হলেও হামাসসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী এর বিরোধিতা করেছে। তাদের অভিযোগ— এটি গাজার অভ্যন্তরীণ শাসনে বাইরের অভিভাবকত্ব চাপিয়ে দেবে এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে।

চীন জানায়, ফিলিস্তিনের শাসনব্যবস্থা ফিলিস্তিনিদেরই ঠিক করতে হবে— এ অবস্থানেই তারা সমর্থন দিচ্ছে। তবে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারসেন আগাবেকিয়ান শাহিন প্রস্তাবটিকে “দীর্ঘ শান্তিপথের প্রথম সোপান” হিসেবে অভিহিত করেছেন।

Share.