ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলায় ধরে আনা ইসরায়েলি জিম্মিদের মধ্যে যারা মারা গেছেন, তাদের সবার মরদেহ ফেরত দিতে আরও সময় লাগবে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে হামাসের হাই কমান্ড জানায়, “আমরা নিশ্চিত করছি যে মৃত ইসরায়েলি জিম্মিদের সবার মরদেহ ফিরিয়ে দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে। তবে এতে খানিকটা সময় লাগবে।”
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে গিয়েছিল হামাস। পরবর্তীতে সংগঠনটি জানায়, তাদের হাতে থাকা শেষ ৪৮ জন জিম্মির মধ্যে ২০ জন জীবিত এবং ২৮ জন মৃত।
গত ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় নতুন যুদ্ধবিরতি শুরু হয় গাজায়। তার ২০ দফা পরিকল্পনায় জীবিত জিম্মিদের ফেরত দেওয়া এবং মৃতদের মরদেহ ইসরায়েলের হাতে হস্তান্তরের শর্ত অন্তর্ভুক্ত ছিল।
যুদ্ধবিরতি শুরুর তিন দিন পর ১৩ অক্টোবর হামাস জীবিত ২০ জন জিম্মি ও চার জনের মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করে। তবে মাত্র চারটি মরদেহ ফেরত পাওয়ায় ইসরায়েল ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং নতুন করে গাজায় অভিযান শুরুর হুমকি দেয়। পাশাপাশি ত্রাণ সরবরাহও সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
পরবর্তীতে হামাস আরও কয়েকজনের মরদেহ ফেরত দেয়, যার পর পরিস্থিতি কিছুটা প্রশমিত হয়। তবে এখনো সব মৃত জিম্মির দেহ ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানায় সংগঠনটি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
