রাজধানীর পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সামনে সোমবার সকালে গুলিতে নিহত হয়েছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুন (৫৫)। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, নিহত মামুন একসময় আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন। তবে অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মোটরসাইকেলে করে আসা দুই ব্যক্তি হাসপাতালের সামনে মামুনকে পেছন থেকে গুলি করেন। গুলির পর তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

মামুনের স্ত্রী বিলকিস আক্তার জানিয়েছেন, তাঁর ধারণা, ইমনের অনুসারীরাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এর আগেও ইমনের লোকজন হত্যাচেষ্টা চালিয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ‘ইমন–মামুন’ নামে গড়ে ওঠা বাহিনী একসময় হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। তাঁরা চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী, মামুনের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে, জন্ম ১৯৭০ সালে। নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

Share.